তথ্যপ্রযুক্তিতে ভাতাসহ প্রশিক্ষণ

তথ্যপ্রযুক্তিতে ভাতাসহ প্রশিক্ষণ



 তথ্যপ্রযুক্তিতে ভাতাসহ প্রশিক্ষণ



এখন প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই অন্যান্য বিভাগের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগও রয়েছে। এই তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে প্রতিষ্ঠানগুলো চায় প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ করতে। ফলে দিন দিন চাহিদা বাড়ছে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে চাকরি করতে হলে আগে এ বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এমনই এক প্রশিক্ষণ দেবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-বাংলাদেশ ইসলামিক সলিডারিটি এডুকেশনাল ওয়াক্ফ (আইডিবি-বিআইএসইডব্লিউ)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের সুবিধাবঞ্চিত মুসলমান মেধাবী যুব সমাজের শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ২০০৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি তথ্যপ্রযুক্তির নানা বিষয়ে বিনা ফিতে বিভিন্ন মেয়াদি প্রফেশনাল ডিপ্লোমা প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত এই প্রফেশনাল কোর্সে ৪ হাজার ৭২১ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এঁদের মধ্যে অধিকাংশই দেশে-বিদেশে তথ্যপ্রযুক্তি পেশায় কাজ করছেন। প্রতিবছর চারটি সেশনে এখানে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করানো হয়। এরই মধ্যে চলছে রাউন্ড ৩১-এর আবেদন প্রক্রিয়া। আবেদন করতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। তাই যাঁরা তথ্যপ্রযুক্তিতে নিজের পেশা গড়তে চান, তাঁরা করতে পারেন এই প্রফেশনাল ডিপ্লোমা কোর্সটি।
যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ
এই ব্যাচে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এর মধ্যে আর্কিটেকচারাল অ্যান্ড সিভিল ক্যাড, ডেটাবেইস ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, এন্টারপ্রাইজ সিস্টেমস অ্যানালায়সিস অ্যান্ড ডিজাইন, গ্রাফিকস, অ্যানিমেশন ও ভিডিও এডিটিং, নেটওয়ার্কিং টেকনোলজিস এবং ওয়েব-প্রেজেন্স সলুশনস অ্যান্ড ইমপ্লিমেনটেশনস এসব বিষয়ে। কোর্সভেদে ১১ থেকে ১৩ মাস মেয়াদি এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া ও যোগ্যতা
এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হলে আবেদনকারীকে স্নাতক/ফাজিল/মাস্টার্স/কামিল/ডিপ্লোমা (সিভিল/আর্কিটেকচার/কনস্ট্রাকশন/সার্ভে) পাস হতে হবে। আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে apply.idb-bisew.info এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের যেকোনো শাখা থেকে আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। আবেদনপত্র পূরণ করে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ডাকযোগে পাঠাতে হবে। এখানে প্রতি ব্যাচে ৩০০ জন করে বছরে ১ হাজার ২০০ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হতে পারে। আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত করা হবে। এই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে। প্রশিক্ষণ শুরু হবে আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। সপ্তাহে ছয় দিন চার ঘণ্টা করে। প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে মনোনীত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে। এসব প্রশিক্ষণ দেবেন দেশের বড় বড় আইটি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। আইডিবি-বিআইএসইডব্লিউয়ের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সৈয়দ রায়হান বাশার বলেন, দেশে এখন প্রায় অনেকেরই তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে ভালো কোনো চাকরি হচ্ছে না। তাই নিজেকে দক্ষ করে তোলার জন্য এই প্রশিক্ষণটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানে প্রফেশনাল কোর্সটির আগে দুই মাসের ফান্ডামেন্টাল কোর্স করতে হবে। এতে ভালো করতে পারলে পরে মূল প্রফেশনাল কোর্সগুলোতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। রায়হান বাশার আরও জানান, এই প্রফেশনাল কোর্স করার সময় প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে।

কাজের ক্ষেত্র
রায়হান বাশার জানান, তথ্যপ্রযুক্তির ওপর এসব প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, বায়িং হাউস, আইটি ফার্ম, এনজিও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অনেক সুযোগ পাওয়া যাবে। সবচেয়ে চাহিদা-সুযোগ আছে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোতে। এতে ভালো বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পাওয়া যায়। এ ছাড়া নিজে ব্যবসা করেও ভালো আয় করা সম্ভব। অর্থাৎ যেখানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার আছে, সেখানেই তাঁরা কাজের সুযোগ পাবেন বলে জানান রায়হান বাশার।

আরও জানতে
কোর্সসংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-বাংলাদেশ, ইসলামিক সলিডারিটি এডুকেশনাল ওয়াক্ফ (আইডিবি-বিআইএসইডব্লিউ), আইডিবি ভবন, পঞ্চম তলা, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা- ১২০৭। ফোন: ৯১৮৩০০৬। Web: www.idb-bisew.org

বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ, সঙ্গে ভাতা ও চাকরি

বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ, সঙ্গে ভাতা ও চাকরি
                                            


                                                             বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ, সঙ্গে ভাতা ও চাকরি

কেন এই প্রশিক্ষণ, কী উদ্দেশ্য?

বেসিস মনে করে, দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে না পারলে দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অসম্ভব। দক্ষ জনশক্তি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সহজেই আকৃষ্ট হন। তথ্যপ্রযুক্তিতে মানবসম্পদ তৈরিতে ২০০৭ সালে বেসিস প্রথম প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করে। ব্যবহারিক জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরি করতে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেই থেকে বেসিসের প্রশিক্ষণ প্রদানকারী সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিআইটিএমের মাধ্যমে প্রায় আট হাজার ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্ডাস্ট্রিতে বা বাকিরা ব্যক্তিগতভাবে কাজ করছেন।
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্ব দিয়ে ‘ওয়ান বাংলাদেশ’ রূপকল্প ঘোষণা দেয় বেসিস। এই রূপকল্পের অন্যতম বিষয় হচ্ছে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি তৈরি। এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী তিন বছরে বিনা মূল্যে ২৩ হাজার দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে বেসিস। জনশক্তি তৈরির এই কাজকে এগিয়ে নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) একটি অংশ বাস্তবায়ন করছে বেসিস। যার অর্থায়নে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও সুইস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (এসডিসি)। বেসিসের বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।

প্রশিক্ষণ পাবেন মোট কত জন? কোন পর্যায়ে কত জন করেন?
তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জন প্রশিক্ষণ পাবেন। প্রকল্পের প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনাসহ অন্যান্য বিভাগে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। এই প্রকল্পের আওতায় বিআইটিএম প্রথম বছরে পাঁচ হাজার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরে নয় হাজার করে শিক্ষার্থীকেপ্রশিক্ষণ দেবে।

কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ কত দিন করে?
মোট ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্র্যাকটিক্যাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, আইটি সাপোর্ট টেকনিক্যাল, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস বিষয়ে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, পিএইচপি, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট-ডটনেট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা ক্লাস নেওয়া হয়।

জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরি করতে প্রশিক্ষণ দে​য় বেসিস l প্রথম ​আলোকবে থেকে শুরু
গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে বিডিবিএল ভবনে অবস্থিত বিআইটিএম ল্যাবে এসইআইপি প্রকল্পের প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ইতিমধ্যে তিন হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো সময় আবেদন করা যায়। তবে প্রশিক্ষণ দল হিসেবে দেওয়া হয় বলে প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত পর্বে যেতে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
ভাতা কী হারে দেওয়া হবে? একজন কত টাকা এবং কীভাবে পাবে?
কোনো প্রশিক্ষণ ফি ছাড়াই প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে। এ ছাড়া প্রশিক্ষণের জন্য মাসিক ৩ হাজার ১৫০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে প্রশিক্ষণার্থীদের। এ ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
অন্য কোনো ধরনের খরচ লাগবে কি না?
প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি ভাতাও দেওয়া হচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীকে কোনো টাকাই খরচ করতে হবে না।

আবেদনের নিয়ম
স্নাতক শেষ অথবা শেষের পর্যায়ে এমন যে কেউই এসইআইপি প্রকল্পে প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এ জন্য তাঁকে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপ অতিক্রম করতে হবে। প্রথমে তাঁকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অনলাইনে (http://bitm.org.bd/seip) আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা একটি বিষয়কে প্রধান করে মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। এরপর লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। লিখিত পরীক্ষার ২ থেকে ৩ দিন আগেই তাঁদের পরীক্ষার সময়, দিন ও স্থান জানানো হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্দিষ্ট বিষয়ের মৌলিক ধারণা পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষকেরা মৌখিক পরীক্ষা নেন। যাঁরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তাঁরাই পরবর্তীকালে ভর্তি হয়ে ক্লাস করার সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও কর্মসংস্থানে সহায়তা দেবে বেসিস-বিআইটিএম। যোগ্যতা অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত বেসিসের সদস্যভুক্ত কোম্পানিগুলোতে পাঠানো হবে। এ ছাড়া চাকরি খোঁজার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে, যেখানে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন।

যোগাযোগ
এই কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য (http://bitm.org.bd/seip) সাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এ ছাড়া বিস্তারিত জানার জন্য রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে সরাসরি জানা যাবে। ০৯৬১২৩৪২৪৮৬ নম্বরে ফোন করে যোগাযোগ করা যাবে। চাইলে আপনিও নিতে পারেন এই সুযোগ।







ঈদে আড়ংয়ে ১৪০০ খণ্ডকালীন কর্মী নিয়োগ বেতন ১০০০+

ঈদে আড়ংয়ে ১৪০০ খণ্ডকালীন কর্মী নিয়োগ  বেতন ১০০০+

 ঈদে আড়ংয়ে ১৪০০ খণ্ডকালীন কর্মী নিয়োগ  বেতন ১০০০+

 খণ্ডকালীন কর্মী হতে পারবেন নারী-পুরুষ উভয়েই ঈদের সময় তৈরি পোশাক বিক্রয়ের দোকানগুলোতে বিক্রি যেমন বাড়ে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ে ক্রেতাদের সমাগমও। ফলে এ সময় শুধু নিয়মিত লোকবল দিয়ে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় সামাল দেওয়া যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি সময়সাপেক্ষও। আর তাই ঈদের বেচাকেনা নির্বিঘ্ন করতে এবারের ঈদে রিটেইল চেইন শপ আড়ং তাদের বিভিন্ন আউটলেটে নিয়োগ দিচ্ছে প্রায় ১৪০০ খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী। আড়ংয়ের এই আউটলেটগুলোতে খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী হিসেবে যোগ দিতে পারবেন নারী-পুরুষ উভয়েই। তবে আবেদনের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে আবেদন-প্রক্রিয়া, আবেদন করা যাবে আগামী ৫ জুন ২০১৬ পর্যন্ত।

আবেদনের যোগ্যতা
আড়ংয়ে খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী হিসেবে আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে কমপক্ষে এইচএসসি পাস হতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে স্নাতক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা আবেদনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। আবেদনের জন্য আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। খণ্ডকালীন বিক্রয়কর্মী হিসেবে আবেদনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি লাগবে বাড়তি কিছু যোগ্যতাও। এ ব্যাপারে আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আবদুর রউফ বলেন, আড়ংয়ে খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে যোগ দিতে একজন আবেদনকারীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি স্মার্ট, সুন্দর বাচনভঙ্গি, ধৈর্যশীল এবং ক্রেতাদের কাছে পণ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও দক্ষ হতে হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া

খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে আড়ংয়ে যোগ দিতে আবেদনকারীকে আগামী ৫ জুন ২০১৬ তারিখের মধ্যে আড়ংয়ের যেকোনো আউটলেটে পূর্ণ জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে। আউটলেট ছাড়া সরাসরি ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত আড়ংয়ের হেড অফিসে গিয়েও জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া যাবে। চিঠিতে জীবনবৃত্তান্ত পাঠালে সে ক্ষেত্রে খামের ওপর বরাবর, সিনিয়র ম্যানেজার, মানবসম্পদ বিভাগ, আড়ং, আড়ং সেন্টার, ৩৪৬ তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২০৮ এই ঠিকানায় পাঠাতে হবে। এ ছাড়া ই-মেইলের মাধ্যমে career.aarong@brac.net এই ঠিকানায় জীবনবৃত্তান্ত পাঠিয়েও আবেদন করা যাবে।

নিয়োগ-প্রক্রিয়া

প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সেখান থেকে বাছাই করা প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে। সেখানে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এক দিনের একটি বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বেতন ও অন্যান্য সুবিধা

খণ্ডকালীন কর্মী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেক কর্মীকে দৈনিক ঘণ্টাপ্রতি ৩৩ টাকা হারে বেতন দেওয়া হবে। ঈদের সময় একজন বিক্রয়কর্মীকে দৈনিক গড়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সেই হিসাবে একজন খণ্ডকালীন কর্মী মাসে অনায়াসেই ১০ হাজার টাকার মতো আয় করতে পারেন বলে জানান মো. আবদুর রউফ। বেতনের পাশাপাশি একজন কর্মীকে নিজের পছন্দমতো আউটলেটে পছন্দমতো সময়ে কাজের সুবিধা, ইফতারের সময় ইফতার, রাত ১০টার পর কাজ করতে হলে রাতের খাবার এমনকি রাতের ডিউটিতে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে পরিবহন-সুবিধাও দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মো. আবদুর রউফ আরও বলেন, খণ্ডকালীন কর্মীদের মধ্যে এ সময় যাঁরা ভালো করবেন, তাঁদের পরবর্তী সময়ে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে প্রথম ছয় মাস প্রবেশনারি পিরিয়ড পার করার পর তাঁদের স্থায়ীভাবে আড়ংয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ